কে আমরা

আমাদের পরিচয়

হোয়াইট সোয়ান ফাউন্ডেশন ফর মেন্টাল হেল্থ একটি নন্‌-প্রফিট প্রতিষ্ঠান এবং এটি মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ আর প্রকাশিত করে। আমাদের লক্ষ্য হল রোগী, পরিচর্যাকারী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মানুষের কাছে উৎকৃষ্ট গবেষণা সমৃদ্ধ তথ্য এবং বিশ্লেষণ পৌঁছে দেওয়া, যাতে তাঁরা আরও দক্ষ ভাবে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যার মোকাবিলা করতে পারেন। দুনিয়া জুড়ে যাঁরা এ বিষয়ে কাজ করছেন, হোয়াইট সোয়ান ফাউন্ডেশন সেই সব ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে অত্যুৎকৃষ্ট মানের তথ্যাদি আপনার নাগালে এনে দেবে।

আমাদের উদ্যোগ কী ভাবে শুরু হল

২০১৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বেঙ্গালুরুতে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেল্থ অ্যান্ড নিউরোসায়েন্সেস (নিমহ্যান্স)-এর প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘কি-নোট’ ভাষণ দিয়েছিলেন মাইন্ডট্রি লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান সুব্রত বাগচী। ভারতে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে সব সমস্যা আছে, সেগুলির মোকাবিলায় এ বিষয়ে যথাযথ ধারণা থাকা কতটা জরুরি, তিনি তার উপরে বিশেষ জোর দিয়েছিলেন। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন যে সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল করতে উদ্যোগী হওয়ার প্রয়োজন যাতে তাঁরা মানসিক অসুস্থতার সঙ্গে সঠিক ভাবে লড়াই করতে সক্ষম হয়ে ওঠেন। এর পরে সুব্রত বাগচীর তত্ত্বাবধানে মনোজ চন্দ্রন ভারতে মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবার অবস্থা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা করেন, কয়েকটি উন্নত দেশে এই বিষয়ে কতটা ভাল ব্যবস্থা আছে বা মানসিক অসুখ মোকাবিলার উপায় কতটা ভাল ভাবে জানা গেছে, সে বিষয়েও চর্চা করেন। নিমহ্যান্স-এর ডিরেক্টর তথা ভাইস চ্যান্সেলর ডা. পি সতীশচন্দ্র এবং এই প্রতিষ্ঠানের কয়েক জন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের অকুণ্ঠ সহযোগিতায় এবং দেশের নানা জায়গায় কর্মরত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সমাজকর্মীদের পরামর্শে সমৃদ্ধ হয়ে আমরা হোয়াইট সোয়ান ফাউন্ডেশন ফর মেন্টাল হেল্থ তৈরি করি। ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ কম্পানিজ অ্যাক্ট-এর ২৫ ধারা মোতাবেক একটি নন্‌ প্রফিট প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি নথিভুক্ত হয়।

Our Mission

Deliver Knowledge Services for Mental Health and Wellbeing

আমাদের লক্ষ্য

‘মানসিক স্বাস্থ্য এবং জীবনকুশলতার জন্য মানুষকে প্রয়োজনীয় জ্ঞান সরবরাহ করা।'

আমরা কী চাই

  • ৫০০ জন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে সমৃদ্ধ আয়োজনের মাধ্যমে ভারতের প্রথম দশটি শহরে তিনটি ভাষায় তরুণ সমাজের কাছে পৌঁছনো।
  • মানসিক স্বাস্থ্য এবং জীবনকুশলতা বিষয়ে কার্যকর জ্ঞান সরবরাহের জন্য দেশে বৃহত্তম পোর্টাল হয়ে ওঠা।
  • ভারতের নন্‌ প্রফিট প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত প্রথম দশটির অন্যতম হওয়া।
  • পাঁচটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা স্থাপন করা।
  • হোয়াইট সোয়ান ফাউন্ডেশনকে ভারতের গ্রামে গ্রামে নিয়ে যাওয়া।

আমাদের সহযোগীরা

আমাদের তথ্যভাণ্ডারকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। সে জন্য দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গার আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এবং পেশাদার গোষ্ঠীকে আমরা সহযোগী করে তুলতে চাই, যাঁরা ভারতের মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি আরও ভাল করে বুঝতে আমাদের (এবং আপনাদের) সাহায্য করবেন।

হোয়াইট সোয়ান বা সাদা রাজহাঁস, আমাদের প্রতীক

আমাদের প্রতীকটি তৈরি করেছেন রে+কেশভণ / ব্র্যান্ড ইউনিয়ন-এর পুরস্কার বিজয়ী গ্রাফিক ডিজাইনার সুজাতা কেশবন। সাদা রাজহাঁসটি ডান দিক থেকে বাঁ দিকে সাঁতার কাটছে। যে কোনও ছবিতে গতিশীল জিনিসকে সাধারণত বাঁ দিক থেকে ডান দিকে যেতে দেখানো হয়, এই ‘সবাই যা করে’ মানসিকতা থেকে নিজেকে স্বতন্ত্র করতে চায় আমাদের হোয়াইট সোয়ানটি। বস্তুত, সে কোনও ফর্ম বা আকৃতি নয়, তাকে বলা চলে একটি কাউন্টার-ফর্ম বা প্রতি-আকৃতি। আসলে কোনও আকার নেই, কোনও রং নেই, সে হল কেবল সাদা পরিসরটুকু। রাজহাঁসের রূপরেখা আর নীল আয়তক্ষেত্রটি দিয়ে তার এই প্রতি-আকৃতি তৈরি হয়েছে। আপনি যখন এটি দেখছেন, তখন আপনার মনই আসলে সাদা রাজহাঁসটির রূপ কল্পনা করে নিচ্ছে। কোমল এবং নম্র রাজহাঁসটি শুশ্রূষার একটি মুহূর্তকে ফুটিয়ে তুলছে। তার ভঙ্গিটি দেখলে আপনি যেন মনে মনে তার চার পাশে ছোট ছোট শিশুহংসগুলিকে কল্পনা করে নিতে পারেন, আর তার তুলে রাখা ডানা দুটি বুঝিয়ে দেয়, সে জলের উপরে মসৃণ ভাবে ভেসে চলেছে। বিশেষ নীল রংটি এবং বড় ও ছোট হরফের সমন্বয় দিয়ে আমরা একই সঙ্গে বোঝাতে চাইছি, আমাদের লক্ষ্য আমাদের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, আবার আমাদের কাছে কত সহজে পৌঁছে যাওয়া যায় এবং আমরা কতটা যত্নবান হতে চাই।