মানসিক বিকার

মনরোগবিদ্যার জগতে গত একশো বছরে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। অসংখ্য বৈজ্ঞানিক এবং আচরণগত গবেষণার দ্বারা বিভিন্ন মানসিক রোগের কারণ এবং চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বোঝা গিয়েছে। একটি মানসিক রোগীর উপসর্গ দেখে চিকিৎসক বলে দিতে পারেন তিনি কি ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আমাদের মস্তিষ্কের কোন অংশ কোন রোগের জন্যে দায়ী তাও আমরা এখন সহজে গবেষণার দ্বারা জানতে পারি।

বিশ্ব জুড়ে প্রধানত দুটি পদ্ধতিতে বিভিন্ন মানসিক রোগ শনাক্ত করা হয় - চ্যাপ্টার ৫ অফ ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসইফিকাশন অফ ডিসিস্‌ (ICD 10) ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন দ্বারা প্রচারিত, এবং ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকাল মানুয়াল অফ মেন্টাল ডিস্‌অর্ডার (DSM-5), আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশান দ্বারা প্রচারিত। এখন অব্দি ২৫০-এরও বেশী সংখ্যক মানসিক রোগ চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।

মানসিক রোগকে সহজভাবে বোঝার জন্য এই অংশটিকে বিশদে ভাগ করা হয়েছে।  যে তিনটি মানসিক রোগ সচরাচর বেশিরভাগ মানসিক রোগীর মধ্যে দেখা যায় তা হল- ডিপ্রেশন বা অবসাদ জড়িত সমস্যা, অ্যাংজাইটি বা উদ্বিগ্নতা জড়িত সমস্যা, এবং শৈশবে ও বার্ধক্যে হওয়া মানসিক সমস্যা। স্কিৎজোফ্রেনিয়ার মত অন্যান্য মানসিক রোগ নিয়েও এখানে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রচুর গবেষণা এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলচনা করার পর, এই অংশের সব তথ্যগুলি হোয়াইট সোয়ানের সদস্যরা লিখেছেন। আমরা চেষ্টা করেছি বিভিন্ন মানসিক রোগকে সহজভাবে বুঝতে এবং সকলের সামনে তুলে ধরতে। রোগীদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে, এইসব মানসিক রোগের বিবরণ সহজ ভাষায় বোঝানো হয়েছে। এই অংশটি নিজের মানসিক রোগ বিচার করার জন্যে নয়, বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগের ব্যাপারে ভালোভাবে জানার উপায়। যে কোন শারীরিক রোগের মত, মানসিক রোগও যত তাড়াতাড়ি ধরা পরবে তত সেরে ওঠার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। আরো বিসদে জানার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে, ‘মানসিক স্বাস্থ্যকে বোঝা’ অংশটি পড়ে আপনি কাউকে সাহায্য করতে পারেন।

অনুসন্ধান করুন

সম্পর্কিত