নিমহ্যান্সে উদ্‌যাপিত হল বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস

নিমহ্যান্সে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন।

নিমহ্যান্সে উদ্‌যাপিত হল বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
 
“ব্যক্তিগত মর্যাদা প্রত্যেক মানুষের অধিকার, এমনকি অপরাধীদেরও। তাহলে মানসিক রোগীদের কেন বাদ দেওয়া হবে?” জানতে চাইলেনকর্ণাটক সেন্ট্রাল রেঞ্জের ইনস্পেক্টর জেনেরাল অফ পুলিশ, জে অরুণ চক্রবর্তী, যিনি ন্যাশনালইনস্টিটিউটঅফ মেন্ট্যাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সাইন্সেস (নিমহ্যান্স) আয়োজিত বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন।এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন নিমহ্যান্সের সাথে ধাড়ওয়ারইনস্টিটিউটঅফ মেন্ট্যাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সাইন্সেস (ডিমহ্যান্স) আর ইন্ডিয়ান সাইকিয়াত্রিক সোসাইটির কর্ণাটক শাখা যৌথ ভাবে করেছিল। ডিমহ্যান্সের ৩০ জন সদস্যের দল, যার মধ্যে ডাক্তাররাও ছিলেন, ধাড়ওয়ার থেকে বেঙ্গালুরুর মাঝে বিভিন্ন জায়গায় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বিষয়ে কথা বলে বলে ৬০০ কিলোমিটার দুরত্ব অতিক্রম করে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন ।
 
অনুষ্ঠানে নিজের ভাষণে শ্রী চক্রবর্তী মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সমাজের উপেক্ষার বিষয়ে কথা বলেন। উনি এও বলেন যে শহরের প্রতিপত্তি বৃদ্ধি আর আর্থিক সচ্ছলতা মানসিক রোগীদের সমাজের মূল স্রোতে নিয়ে আসার পরিবর্তে তাদের আরও কোণঠাসা করা দিচ্ছে।
মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের এই বছরের থিম “মানসিক রোগীদের মর্যাদা” বিষয়ে কথা বলার সময় নিমহ্যান্সের ডিরেক্টর ডঃ পি সতিশ চন্দ্র মানসিক রোগীদের সাথে মর্যাদাপূর্ণ ব্যবহারে সচেতনতার গুরুত্বের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
 
ডিমহ্যান্সের ডিরেক্টর ডঃ রভীশ বিএন একই বিষয়ে বলেন যে সমাজে মানসিক রোগীদের মর্যাদাপূর্ণ স্থান ফিরিয়ে দিতে হবে। তিনি জানান যে মর্যাদার অধিকার বিশ্বের সব মানুষের সমান এবং কোনও ব্যক্তিকে এর থেকে বঞ্চিত করা উচিৎ নয়।

আরও পড়ুন

জীবনে এই প্রথমবার 'মানসিক অসুস্থতা' কথাটি উচ্চারণ করেছিলাম

১০০জন মাদকাসক্ত মানুষের মধ্যে মাত্র ৩ জন তাদের সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজে। এক্ষেত্রে আমাদের কী করা জরুরি?

জীবনে এই প্রথমবার 'মানসিক অসুস্থতা' কথাটি উচ্চারণ করেছিলাম

১০০জন মাদকাসক্ত মানুষের মধ্যে মাত্র ৩ জন তাদের সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজে। এক্ষেত্রে আমাদের কী করা জরুরি?

মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে চাকরিদাতাদের বেশি সংবেদনশীল ও সচেতন হওয়া জরুরি

ক্যানসার এবং অবসাদের যোগাযোগ বিষয়ক একটি সাক্ষাৎকার

প্রস্তাবিত