পরিচর্যাকারীর চাপঃ রোগীর পাশাপাশি নিজের যত্ন নেওয়া

মানসিক রোগে আক্রান্ত প্রিয়জনের যত্ন নেওয়া আবশ্যই কাম্য, কিন্তু সে সঙ্গে নিজের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখাও প্রয়োজন

পরিচর্যাকারীর চাপ বলতে কি বোঝায়?

একজন পরিচর্যাকারীর জন্য তাঁর মানসিক ভাবে অসুস্থ প্রিয়জনের যত্ন নেওয়া বেশ কঠিন কাজ, এবং এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে যেমন তাঁদের মেনে নিতে হয় যে তাঁদের প্রিয়জনেরা মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন এবং তাঁরা সাময়িক ভাবে সাধারণ জীবনযাপন করতে পারবেন না। প্রিয়জনের পরিচর্যা করার আবেগ এবং সঙ্গে সংসারের অন্যান্য কাজ করার দায়িত্বের চাপে তাঁরা দোটানায় পড়ে যান। এর সঙ্গে যোগ হয় মানসিক ভাবে অসুস্থ লোকজনকে নিয়ে সমাজে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা যা পরিচর্যাকারীর কাজ আরও কঠিন করে তোলে। ‘পরিচর্যাকারীর চাপ’ বলতে আমরা বুঝি, যিনি রোগীর যত্ন নেন তাঁর মনে নিজের প্রিয়জনের মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে বা তাঁকে পরিচর্যা করা নিয়ে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

পরিচর্যাকারীর দায়িত্বভার
পরিচর্যাকারীরা নিজের প্রিয়জনের যত্ন নেওয়া শুরু করার সময় নিজেদের জীবনধারায় যে পরিবর্তনগুলি নিয়ে আসেন সেগুলি কে বিশেষজ্ঞরা পরিচর্যাকারীর দায়িত্বভার বলে গণ্য করেন। এই পরিবর্তনগুলি তাৎপর্যপূর্ণ। পরিচর্যাকারী হিসাবে আপনাকে বেশি কাজ করতে হয়, নিজের কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে হয়, অনেক ক্ষেত্রে চাকরিও ছেড়ে দিতে হয়। আর্থিক কষ্ট এবং মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে সামাজিক কুণ্ঠার কারণে নিশ্চিন্তে পরিবাররে লোকজন বা বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশাও বন্ধ হয়ে যায়।

সমস্যার কিছু লক্ষণ

গুরুতর মানসিক অসুস্থতা যেমন সাইকোসিস, স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষের মধ্যেই দু ধরণের লক্ষণ দেখা যায়।

  • সাধারণ লক্ষন যেমন হ্যালুসিনেশন, বিভ্রম, এলোমেলো কথাবার্তা বা অদ্ভুত ব্যবহার।
  • জীবনক্রিয়া বিপর্যস্তকারী লক্ষণ এমন সব জীবনক্রিয়া যা বেশিরভাগ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ, কিন্তু মানসিক বিকারগ্রস্থ মানুষের মধ্যে সেইগুলোকে নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়, যেমন নিজের যত্ন নেওয়া, আশেপাশের মানুষের সাথে কথা বলা, মুখের ভাবভঙ্গি দিয়ে বা গলার স্বর দিয়ে নিজের মনোভাব বা ইচ্ছে প্রকাশ করা, বা নিজেদের চিন্তাভাবনাকে ব্যাক্ত করা। সব রোগীর মধ্যে অবশ্য সব সমস্যা দেখা যায়না । যেমন, স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত একটি মানুষ হয়তো নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে পারেন না বা সামাজিক স্তরে নিজেকে গুটিয়ে রাখার ফলে অন্যদের সঙ্গে বেশি কথাবার্তা বলতে চান না। এমনও হয় যে তাঁরা নিজেদের খুব পছন্দের বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়েও আবেগের বহিঃপ্রকাশ সীমিত হয়ে যাওয়ায় অত্যন্ত অনুৎসাহিত ভাবে তা ব্যাক্ত করেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে এই জীবনক্রিয়ায় বাঁধা সৃষ্টি করা লক্ষণগুলি সাধারণ লক্ষণের চেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি করে একজন পরিচর্যাকারীর জন্য। এর মূলত দুটি কারণ আছে। প্রথমত, ব্যবহৃত ওষুধগুলি শুধু সাধারণ লক্ষণগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে। দ্বিতীয়ত এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ – যত্ন প্রদানকারীরা মনে করেন যে দ্বিতীয় শ্রেণির লক্ষণের কারণে তাঁদের প্রিয়জনেরা অস্বাভাবিক বা মানসিক ভাবে অসুস্থ হিসাবে চিহ্নিত হয়ে যান।

এই ধরনের লক্ষণগুলি ব্যক্তির জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ এর ফলে একজন মানুষ সাধারণ কাজকর্ম করার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে; সকলের মাঝে তাঁরা চিহ্নিত হয়ে যান তাঁদের অস্বাভাবিক আচরণের কারণে। কিছু মানসিক ভাবে অসুস্থ মানুষ আবার নিজেদের পরিবারের লোকজন বা পরিচর্যাকারীর উপর সন্দেহ করেন; এর ফলে পরিচর্যাকারীর মনেও উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে যখন তাঁরা নিজেদের প্রিয়জনের মানসিক অসুস্থতার কথা আর কাউকে বলতে পারেন না। তাঁরা ভয় পান, যে যদি তাঁদের বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়রা এই বিষয়ে জানতে পারেন, তাহলে তাঁদের সঙ্গে আর ভাল সম্পর্ক থাকবে না।

স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় বা মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হ্যালুসিনেশন বা বিভ্রমে ভুগতে পারেন। কারোর হ্যালুসিনেশন বা বিভ্রম হলে, তিনি ভাবতে পারেন যে তাঁর পরিচর্যাকারী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও চক্রান্ত করছেন। কারণে অকারনে তাঁরা এর ফলে প্রচণ্ড রেগে যেতে পারেন, বা খুব হাসতেও পারেন। এই সবের জন্য রোগী ও তাঁর পরিচর্যাকারীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হতে পারে।

যাদের শ্রুতিভ্রম হয়, তাঁরা নিজেদের জগতে হারিয়ে যান, নিজেদের সঙ্গে কথা বলেন। একজন পরিচর্যাকারীর এইরকম পরিস্থিতি বুঝতে বা সামলাতে সমস্যা হয়। বিশেষ করে যখন বাইরের সমাজের সামনে এই ঘটনাগুলি ঘটে। কখনও এই রকম বিভ্রমের ফলে রোগী অন্য লোক দেখলে ক্ষুব্ধ হয়ে যান এবং তাঁদের গালাগালি করেন বা আক্রমণাত্মক হয়ে যান। বহু সময় এই ধরনের ব্যবহারকে সাধারণ সামাজিক ব্যবহার হিসাবে মেনে নেওয়া হয় না। আসলে মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে কম জানার ফলে, যতক্ষণ না এই ধরনের ব্যবহার মারাত্মক রূপ ধারণ করে, ততক্ষণ একজন পরিচর্যাকারী মনোবিদের পরামর্শ নেন না। সাইকিয়াত্রিস্টদের মতে, যত তাড়াতাড়ি একজন রোগীর চিকিৎসা শুরু হবে, তত তাড়াতাড়ি তাঁর স্বাধীন ভাবে সাধারণ জীবনযাপন করার সুযোগ তৈরি হবে। দেরিতে চিকিৎসা শুরু করলে এমন অনেক আচরণগত পরিবর্তন ঘটতে পারে যা একজন পরিচর্যাকারীর মনে হতাশা ও গ্লানির জন্ম দিতে পারে।

কুণ্ঠাকে ঘিরে চাপ 

অনেক সময়, সামাজিক কুণ্ঠার কারণে একজন রোগীর লক্ষণগুলি আয়ত্তের মধ্যে রাখাটাও সমস্যার অংশ হয়ে দাঁড়ায়। রাজেশ’এর উদাহরণই দেওয়া যাক, যার প্যারানয়েড স্কিৎজোফ্রেনিয়া ধরা পড়েছিল। 

রাজেশের মা-বাবা তার দেখাশুনা করতে গিয়ে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতেন কারণ রাজেশ তাঁদের সবসময় সন্দেহের চোখে দেখত। সামাজিক কুণ্ঠার কারণে তাঁরা এই খবরটি তাঁদের আত্মীয় আর বন্ধুদের থেকে লুকিয়ে রাখেন, কারণ তাঁদের ধারণা ছিল যে যদি অন্যেরা জানতে পারেন তাহলে তাঁদের সঙ্গে আর কেউ মিশবেন না। তাঁরা ভয় পেতেন রাজেশের অস্বাভাবিক ব্যবহারের ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন করতে পারেন। এই সব সমস্যা তাঁদের মধ্যে খুব চাপ সৃষ্টি করেছিল। কারোর সাহায্য ছাড়াই তাঁরা রাজেশের এই সমস্যার কারনে সৃষ্টি হওয়া পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে একলা লড়ে চলেছিলেন।

এই অংশটি কিছু রোগীদের লক্ষণ নিয়ে গবেষণা করার পর মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে। 

অন্য কিছু কারণ যা একজন পরিচর্যাকারীর উপর চাপ সৃষ্টি করে

একজন মানসিক ভাবে অসুস্থ ব্যক্তির পরিচর্যাকারীকেও তাঁর নিজের জীবনে অনেক পরিবর্তন আনতে হয়, জীবনধারা বদলাতে হয়, কিছু ক্ষেত্রে চাকরিও ছাড়তে হয়। নিমহ্যান্সের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ সন্তোষ কে চতুর্বেদীর মতে, “আগেকার দিনে যৌথ পরিবারে একজন পরিচর্যাকারী বেশি সাহায্য পেতেন। এখন আর যৌথ পরিবার নেই, সবাই নিজের কাজে ব্যাস্ত, তাই সাহায্যের পরিমাণটাও কম।”

আবেগের সাহায্যে সমস্যা জানানো

আবেগের বহিঃপ্রকাশ একজন মানসিক রোগীর আরোগ্যতে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খুব অল্প সময়ে পরিচর্যাকারীর দুঃখ তাঁর আবেগের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ পায়। তিনি হয়তো জেনে বা অজান্তে তাঁর প্রিয়জনের সামনে নিজের অসহায়তার ভাবভঙ্গি প্রকাশ করে ফেলেন। পরিচর্যাকারীর আচরণ তখন চিকিৎসার উপর প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে স্কিৎজোফ্রেনিয়ার ক্ষেত্রে পরিচর্যাকারী নেতিবাচক আবেগের বহিঃপ্রকাশের সঙ্গে পুনরায় সেটি ঘটার একটি সম্পর্ক রয়েছে। স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি যদি একটি সমস্যাজনক পরিস্থিতিতে বাস করেন, তাঁর শরীর আরও খারাপ হবে এবং তাঁর আরও বেশি ওষুধের প্রয়োজন হবে।

পরিচর্যাকারীর মানসিক চাপের সঙ্গে মোকাবিলা

যদি আপনি পাকাপাকি ভাবে নিজের মানসিক রোগে আক্রান্ত প্রিয়জনের যত্ন নেন, তাহলে একটা সময় আসবে যে আপনি এই কাজটি আর করতে চাইবেন না। পরিচর্যাকারীর মানসিক চাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ।

এর কিছু কিছু লক্ষণ হল:

  • আপনি ভুলে গেছেন শেষবার কবে আপনি কোন সিনেমা দেখতে গেছেন, বা বন্ধুদের সাথে বাইরে ঘুরতে বা খেতে গেছেন, বা বিনোদনমূলক কোন কাজ করেছেন।
  • কাজে মন বসানোর ক্ষমতা কমে গেছে।
  • অনেকক্ষণ ঘুমানোর পরেও, ক্লান্তি অনুভব করেন
  • ঘন-ঘন শরীর খারাপ হয়।
  • যে কাজগুলি করতে ভাল লাগত – বই পড়া, সিনেমা দেখা, ইত্যাদি- সেগুলিও এখন আর ভাল লাগেনা।
  • ভাল ঘুম হয় না।
  • বেশি করে ধূমপান বা মদ্যপান করেন।
  • যার যত্ন নিচ্ছেন, অহেতুক তাঁর উপর রাগ দেখান।
  • মনে হয় তাঁর যত্ন নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।
  • চাপ বেশি হলে নিজের প্রিয়জনের কাছ থেকে সরে যাওয়ার কথা মনে হয়, আবার সেই কথা ভেবে পরে গ্লানিও হয়।

যদি পরিচর্যাকারীর মানসিক চাপের কোনও আঁচ আগে থেকে পাওয়া যায়, তাহলে বাড়াবাড়ি হতে দেওয়া উচিৎ নয়। যদি মনে হয় যে আপনিও এইরকম মানসিক চাপে ভুগছেন তাহলে সাইকিয়াত্রিস্টের পরামর্শ নিন। এতে আপনারই ভাল হবে।

পরিচর্যাকারীর মানসিক চাপের অধ্যায়

পূর্ব অধ্যায় বা মধুচন্দ্রিমা অধ্যায়:এই সময়য় একজন পরিচর্যাকারী আত্মবিশ্বাসী থাকেন, মনে করেন তাঁদের প্রিয়জনের যত্ন নেওয়া তাঁদের দায়িত্ব। তাঁরা জিনিসটি ইতিবাচক ভাবে নেওয়ার চেষ্টা করেন এই ভেবে যে, “আমি আমার প্রিয়জনের যত্ন নেওয়া শুরু করি, সব ঠিক হয়ে যাবে।”

একঘেয়ে অধ্যায়:যখন পরিচর্যাকারীর মনে হয় যত্ন নেওয়ার মধ্যে অনেক চড়াই-উতরাই রয়েছে।

অসহ্যকর অধ্যায়:এই সময় পরিচর্যাকারী হাল ছেড়ে দেন এবং প্রচন্ড ভেঙে পড়েন। সব সময় মনে হয় পরিচর্যা করা কি একটা বোঝা?

অন্তিম অধ্যায়:এই সময়, পরিচর্যাকারী নিজের প্রিয়জনের কাছ থেকে দূরে সরে যান কারণ তাঁর কাছে এটি মানসিক ভাবে খুব কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। তাঁরা যন্ত্রের মতো, আবেগ ছাড়াই প্রিয়জনের পরিচর্যা করতে থাকেন। এই সময় পরিচর্যাকারী দুঃখ, হতাশায় ভুগতে থাকেন।

পরিচর্যাকারী অন্তিম অধ্যায়ে আসা আটকানো 

আপনি নিজে যদি একজন পরিচর্যাকারী হন এবং এই লক্ষণগুলি অনুভব করেন, তাহলে সব কিছু শেষ হওয়ার আগেই সাহায্য নিন।

১। ডে-বোর্ডার বা ডে কেয়ার সার্ভিস: যেখানে একজন ব্যক্তিকে নিজেদের গুণগুলিকে কাজে লাগিয়ে সারাদিনে কিছু না কিছু কাজ করতে দেওয়া হয় বা নতুন কিছু শিখতে বলা হয়। এর ফলে একজন পরিচর্যাকারী নিজস্ব দিনলিপি অনুযায়ী কাজ করতে পারেন, আবার বাড়ি গিয়ে বিশ্রামও নিতে পারেন। 

২। রেস্পাইট কেয়ার সার্ভিস:এটি একটি বিশেষ সেবা যা আপনার সপ্তাহিক কাজকর্ম করার জন্য প্রয়োজন হতে পারে। রেস্পাইট কেয়ার সার্ভিস আপনার ও আপনার প্রিয়জনের থাকার ও বিশেষ যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব নেয়। পরিচর্যাকারীর কোথাও যাওয়ার হলে, বা জ্বর হলে, অন্য কাউকে না পেলে  রেস্পাইট কেয়ার সার্ভিসের সাহায্য নেন। রেস্পাইট কেয়ার সার্ভিসের সাহায্য খুব বিশেষ কিছু সময় ছাড়া নেওয়া উচিৎ নয়।

৩। পরিচর্যা করার দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়াঃবন্ধুবান্ধবদের বা পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নেওয়া উচিৎ। এর ফাঁকে আপনি নিজের দিকেও একটু নজর রাখতে পারবেন।

৪। নিজে সামলে ওঠার চেষ্টাঃ মনোবিদের কাছে যাওয়া উচিৎ। নতুন নতুন শখ তৈরি করা, বেড়াতে যাওয়া, একটি কুকুর বা বিড়াল পোষা, এবং নিজের জন্য যথেষ্ট সময় বার করা – এই সমস্ত করলে ভাল ফল পেতে পারেন।

মানসিক ভাবে অসুস্থ ব্যক্তির যত্ন নেওয়ার পিছনে অনেক সময় ও ধৈর্য লাগে। আপনি অন্যের যত্ন তখনই নিতে পারবেন, যখন আপনি নিজের যত্ন নিতে পারবেন। যখনই মনে কোনও সংশয় জাগবে, অবশ্যই সাহায্যের জন্য হাত বাড়াবেন।

Was this helpful for you?