We use cookies to help you find the right information on mental health on our website. If you continue to use this site, you consent to our use of cookies.

শৈশব-কালীন মনোবিকার

এই ভাগে সেই সমস্ত শৈশব-কালীন মনোবিকারের বর্ণনা রয়েছে যার নির্ধারণ শিশুকালে, বাল্যকালে বা কিশোর-অবস্থায় করা যায়। ঐ বয়েসের মানসিক ব্যাধিকে শিক্ষাগ্রহণ সংক্রান্ত বিকার (লার্নিং ডিস্‌অর্ডার) আর বিবর্তনশীল বিকারে (ডেভেলাপমেন্টাল ডিসঅর্ডার) বিভাজন করা হয়।

শিক্ষাগ্রহণ সংক্রান্ত বিকার বা লার্নিং ডিস্‌অর্ডার কে লার্নিং ডিসএবিলিটি বা শিক্ষাগ্রহণ সংক্রান্ত অক্ষমতাও বলা হয়। এই ধারায় অনেক ধরনের শিক্ষাগ্রহণ সম্বন্ধিত বিকার রয়েছে যেমন ডিসলেক্সিয়া, ডিসক্যাল্কুলিয়া, ডিসপ্রেক্সিয়া ইত্যাদি। এটেন্সান ডেফিসিট হাইপারএক্টিভিটি ডিস্‌অর্ডার (এ ডি এইচ ডি) আরেক ধরনের লার্নিং ডিসএবিলিটি।

ডেভেলাপমেন্টাল ডিস্‌অর্ডার বা মানসিক বিকাশে বাধা রূপি বিকারের উপসর্গ শিশুদের বাড়তি বয়েসে ধরা পড়ে। বেশীরভাগ বিকার ভ্রূণ অবস্থায় দেখা দেয় কিন্তু কিছু বিকার জন্মের পরে আঘাত লাগায়, সংক্রমণের জন্য বা অন্য কারনে হয়। অটিজম, সেরিব্রাল পলসি, স্পীচ ডিস্‌অর্ডার, ইন্টেলেকচুয়াল ডিসএবিলিটি বা বুদ্ধিগত প্রতিবন্ধকতার মতো সমস্যা ডেভেলাপমেন্টাল ডিস্‌অর্ডারের অন্তর্ভুক্ত।

আপনি বিভিন্ন ধরনের শৈশব-কালীন মনোবিকারের সম্বন্ধে পড়ে সেগুলো হওয়ার কারণ, উপসর্গ, রোগ নির্ধারণ প্রক্রিয়া, চিকিৎসা পদ্ধতির বিষয়ে জানতে পারবেন এবং পরিচর্যাকারী কিভাবে এইসব বিকারের ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারেন, সেটাও জানতে পারবেন।