ক্যানসার এবং অবসাদের যোগাযোগ বিষয়ক একটি সাক্ষাৎকার
শরীর এবং মস্তিষ্ক

ক্যানসার এবং অবসাদের যোগাযোগ বিষয়ক একটি সাক্ষাৎকার

হোয়াইট সোয়ান ফাউন্ডেশন

ক্যানসার আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অবসাদ, উদ্বেগ এবং ভয় খুব স্বাভাবিক মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা। এই বিষয়ে হোয়াইট সোয়ান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পূর্ণিমা বিভি কথা বলেছিলেন রঙ্গাডোর মেমোরিয়াল হাসপাতালের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ  ডাক্তার এম এন সুন্দরেশন-এর সঙ্গে। ইনি ক্যানসার আক্রান্ত রুগিদের চাপজনিত মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা মোকাবিলা করতে সাহায্য করেন।

আপনি তো ক্যানসার আক্রান্ত মানুষের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন। তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা ঠিক কীরকম?

ক্যানসার আক্রান্ত মানুষ অনেকরকম মানসিক স্বাস্থ্যের জটিলতা যেমন - অবসাদ, উদ্বেগ, ভয়, সাইকোসিস এবং দেহগত সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসেন। তাদের অনেকের মধ্যেই মানসিক অবসাদের লক্ষণ খুব প্রকট থাকে। এই সমস্যা অনেকসময়ই তেমনভাবে গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা হয় না। মানসিক অসুস্থতা নিয়ে মানুষের সচেতনতার অভাব বা পর্যাপ্ত সময়ের অভাবে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিয়ে এর চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। তবে আমার মতে এটা কখনোই উচিত নয়।

তবে এসব সমস্যার সহজ সমাধান রয়েছে। যদি একজন রুগি একজন যোগ্য  মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে এই সমস্যা নিয়ে পরামর্শ করে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা করায় তাহলে সমস্যা সহজেই দূর করা সম্ভব। এই চিকিৎসায় শুধু একা শরীর বা মনের সমস্যা দূর করার চেয়ে শরীর ও মন উভয়ের সমস্যা দূর করাই গুরুত্বপূর্ণ।

ক্যানসারজনিত মানসিক স্বাস্থ্যের মোকাবিলা কি এই মারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে?

মানসিক সুস্থতা ও শারীরিক রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ার মধ্যে একটা সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আসলে এটা প্রমাণিত সত্য যে রুগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি হলে তার মধ্যে অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তিও বাড়ে। আর এর সাহায্যে প্রাথমিক রোগের চিকিৎসার সুফলও পাওয়া যায়। আমি একথাই জোর দিয়ে বলতে চাই যে মানসিক অবসাদের উপযুক্ত চিকিৎসা রয়েছে। অনেক  গবেষণার পর এটা প্রমাণ করা গিয়েছে যে স্তন ক্যানসারের ক্ষেত্রে রুগির মানসিক  সুস্থতা তার রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায় এবং কিছু কিছু ওষুধের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সুফল মেলে। তাই আমার মতে ক্যানসার আক্রান্ত সব রুগি এবং তাদের পরিচর্যাকারীদের প্রথমে একজন ক্যানসারজনিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের (সাইকো-অঙ্কোলজিস্ট) পরামর্শ নেওয়া একান্ত জরুরি।

মানুষ যখন ক্যানসার নামক রোগের শিকার হয় তখন কি সে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিজের সমস্যার কথা খোলাখুলি বলতে পারে, এ বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতা ঠিক কীরকম?

একটা বড় সংখ্যক রুগি, তাদের আত্মীয়স্বজন এবং পরিচর্যাকারীরা হাসপাতালে এসে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করে না। পশ্চিমের দেশগুলোতে কিন্তু ক্যানসার আক্রান্ত রুগি ক্যানসারজনিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে ও উপযুক্ত চিকিৎসা করায়। ওখানে রুগি, এমনকী তার পরিচর্যাকারীকেও আপদকালীন সাহায্য দেওয়া হয়। যত তাড়াতাড়ি তারা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য সাহায্য পাবে তত তাড়াতাড়ি তাদের সামগ্রিক অবস্থার উন্নতি হবে। একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের দ্বারা রোগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং চিকিৎসার পরে রুগির জীবনযাত্রার মানের উন্নতি এবং তার আয়ু বাড়া সম্ভব হয়।

ভারতে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে মানুষের প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা খুব কম। এমনকী, চিকিৎসকদের মধ্যেও সচেতনতার অভাব রয়েছে। শিক্ষিত এবং অপেক্ষাকৃত অল্প শিক্ষিত সবার মধ্যেই মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা নিয়ে ভয়, কলঙ্ক বা অজ্ঞতা রয়েছে। সচেতনতার অভাবের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার সুফল আমাদের দেশে তেমন উপলব্ধি করা যায় না। এই কারণে এই বিষয়ে শিক্ষার অভাব এবং গুরুতর লোকবলের অভাব অত্যন্ত বেশি পরিমাণে চোখে পড়ে।

যখন রুগি আপনাদের কাছে আসে তখন তাদের মধ্যে কীরকম ভাবনা, চিন্তা এবং উদ্বেগ কাজ করে?

এমন অনেক রুগি আসে যারা তাদের আত্মীয়স্বজন বা পরিচর্যাকারীর চাপে আমাদের কাছে আসতে বাধ্য হয়। তাদের মধ্যে ভীষণ ভয়, অনির্দিষ্ট শারীরিক যন্ত্রণা থাকে। সেই সঙ্গে ক্লান্তি, মেজাজ-মর্জির ঘন ঘন পরিবর্তন, অল্প ঘুম বা ঘুম বেড়ে যাওয়া, অপরাধবোধ, আলস্য এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে আগ্রহের অভাব দেখা যায়। তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত ও সামাজিক কাজকর্মের ক্ষেত্রে অনীহা চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে ঝিমনোভাব থাকে। তারা বলে যে এভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো।

ক্যানসারের চিকিৎসা শুরু হলে কিছু সংখ্যক রুগির মধ্যে সাইকোসিস এবং অযৌক্তিক ভয় দেখা দেয়। ডাক্তাররা এই সমস্যাকে শারীরিক সমস্যা বর্হিভূত জটিলতা হিসেবে দেখে। কয়েকজন রুগি ভয় ও উদ্বেগের কারণে মদ্যপানের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে।

যখন মনস্তাত্ত্বিক সাহায্যের দরকার পড়ে তখন তাতে রুগির পরিবারের অংগ্রহণ কতখানি গুরুত্বপূর্ণ হয়?

রুগির পরিচর্যাকারীদের ক্ষেত্রে এই শিক্ষাটা খুবই জরুরি যে কখন একজন মানুষের মনোগত সাহায্যের প্রয়োজন তা বোঝা এবং অবসাদের পূর্ব লক্ষণের সতর্কবার্তা চিহ্নিত করা। সেই সঙ্গে নিজেকে আরও একটা ক্ষেত্রে শিক্ষিত করে তোলা দরকার। সেটা হল রুগির এবং নিজের যথাযথ সহায়তার জন্য একজন মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞের সঙ্গে সঠিক সময়ে যোগাযোগ করা।

সেই সঙ্গে পরিবারের পক্ষ থেকে গুরুতর দায়িত্ব হল রুগির পরিচর্যাকারীকে সহায়তা, শিক্ষিত এবং সঠিক রাস্তা দেখানো যাতে তারা নিজের ও রুগির জীবনযাত্রার গুণগতমান (সামাজিক, শারীরিক এবং আর্থিক) উন্নত করতে পারে। রুগির পরিবারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য না পেলে পরিচর্যাকারীদের আচরণে অবনতি, রুগির দেখভালের ক্ষেত্রে অনীহা, অবহেলা প্রভৃতি দেখা দিতে পারে। অনেকসময়ে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে না পারার জন্য পরিচর্যাকারীদের মধ্যে হতাশা জন্মায়। এহেন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা নিজেদের মদ্যপানের প্রতি  আসক্ত করে তোলে। এর ফলে তাদের নিজেদের শরীরও অসুস্থ হয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে রুগির পরিবার এবং পরিচর্যাকারীদের সঠিক সাহায্যের একান্ত প্রয়োজন।

কখনও কখনও বা সবসময়ে কি ক্যানসার আক্রান্ত মানুষের ক্যানসারের চিকিৎসার আগে প্রথমে তার মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা চিহ্নিত করার প্রয়োজন পড়ে?

ক্যানসার ধরা পড়ার পরে রুগি এবং তার পরিচর্যাকারীর মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়ন হওয়া জরুরি। এই মূল্যায়নের একটা পদ্ধতি রয়েছে। একটা সাধারণ ফর্মে কতগুলো সারিবদ্ধ প্রশ্ন থাকে যার উত্তরগুলোকেই মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়নের অঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। হাসপাতালের একজন নার্স বা সেবিকা এই দায়িত্ব পালন করে থাকেন। একবার মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক মূল্যায়ন করা হয়ে গেলে সেই তথ্য একজন মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞের কাছে যায় আরও গভীরভাবে রোগ নির্ধারণের জন্য। দুর্ভাগ্যবশত, এমন পদ্ধতির প্রচলন থাকলেও তার বাস্তব প্রয়োগ হয় না। একজন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ তার রুগিকে মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করার জন্য কোনও আগ্রহ দেখায় না। তবে মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়ন একটা ক্যানসার হাসপাতালে অবশ্যই থাকা জরুরি।

ক্যানসার নামক অসুখটা কি নিজে থেকেই মানুষকে অবসাদগ্রস্ত করে তোলে?

হ্যাঁ, কয়েকটা বিশেষ ধরনের ক্যানসার যেমন- ডিম্বাশয়ের ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, টেস্টিকুলার ক্যানসার-সহ কিছু ক্যানসার রয়েছে যা শরীরের গ্রন্থিগুলোর ক্ষতি করে, মানসিক অসুখের বিশেষ করে অবসাদের জন্ম দেয়। তাছাড়া ক্যানসারের বিভিন্ন চিকিৎসা যেমন- অপারেশন, ওষুধ প্রয়োগ, রেডিয়েশন- এসব মানসিক অসুস্থতার নানারকম কারণ হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে। চিকিৎসার সময়ে এবং পরবর্তীকালে চিকিৎসার বিভিন্ন ধরন এবং মাত্রা একজন রুগিকে মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলে। তাই চিকিৎসা শুরুর আগে এগুলো এবং অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন। ক্যানসার আক্রান্ত রুগি এবং পরিচর্যাকারীর ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করানোর আগে একথা জানার অধিকার রয়েছে যে ডাক্তার আদৌ ক্যানসারজনিত নানারকম মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে সচেতন আছে কিনা।

মহিলা এবং ক্যানসারের পারস্পরিক সম্পর্ক বিষয়ে আপনার ধারণা কীরকম? বিশেষ করে স্তন ক্যানসারের ক্ষেত্রে ঠিক কী ছবি ধরা পড়ে?

যদিও একথা সবারই কম-বেশি জানা যে স্তন ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে তা নিরাময়ের অনেক রাস্তা রয়েছে। এক্ষেত্রে আত্মপরীক্ষা ও যথাযথ চিকিৎসা প্রভূত সাহায্য করে। চিকিৎসায় অবহেলা এবং ঠিকঠাক রোগ নির্ণয় করতে না পারার জন্য কিছু মহিলা একজন ক্যানসার বিশেষজ্ঞের কাছে আসে জীবনের একেবারে শেষ ধাপে। এর ফলে সামাজিক ও ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা ও আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। কিছু ক্ষেত্রে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত মহিলারা নিজেদের মহিলা হিসেবে ভাবতে অর্থাৎ আত্মপরিচয়ের বোধ হারিয়ে ফেলে। মহিলাদের এহেন চিন্তাভাবনাই প্রথমে দূর করা জরুরি। এর ফলে সামাজিক নানারকম জটিলতা যেমন সম্পর্কের অবনতি, বিবাহবিচ্ছেদ-সহ আরও অনেক সমস্যা দেখা দেয়। আর এধরনের সমস্যাগুলো মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কুপ্রভাব ফেলে। এক্ষেত্রে আরও একটা দুর্ভাগ্যের বিষয় হল মহিলার সঙ্গী হিসেবে যে পুরুষ তার জীবনে থাকে সে মহিলার অনুমতি ছাড়া তার অসুখ নিয়ে এমনসব মন্তব্য করে যার ফলাফল খুবই বিপজ্জনক হয়।

মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা ক্যানসারের মতো মারণরোগের বাড়বাড়ন্ত প্রতিরোধ করতে কতটা সাহায্য করতে পারে?

এটা খুব ভালোভাবে প্রমাণিত যে মনোগত সহায়তা ও সমর্থন একজন ক্যানসার আক্রান্ত মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন এবং তার আয়ুর ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী প্রভাব ফেলে। যারা তেমনভাবে মনোগত সাহায্য পায় না এবং যাদের শারীরিক অসুস্থতা ঠিকঠাক ধরা পড়ে না তাদের জীবনের গুণগত মানের অবনতি হয় এবং মৃত্যুর ভাবনা চেপে বসে। পরবর্তীকালে তাদের মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ দেখা দেয়,  রোগের পূর্বাভাসের ক্ষমতা এবং ওষুধে সাড়া দেওয়ার শক্তি হ্রাস পায়।

যখন একজন রুগি মানসিক দিক থেকে সুস্থ বোধ করে তখন কি সে ক্যানসারের মতো রোগের যন্ত্রণা বোধ থেকে সে নিজেকে মুক্ত করতে পারে?

হ্যাঁ। যদি রুগি তার মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা সম্পর্কে সচেতন, শিক্ষিত হয় এবং যথাযথ চিকিৎসা করায় তাহলে নিশ্চিতভাবে সে তার শারীরিক ও মানসিক ব্যথা-বেদনা থেকে মুক্ত হয়ে জীবনযাত্রার গুণগত মান ও আয়ু বাড়াতে সক্ষম হবে। একবার যদি সমস্যাটিকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয় তাহলে রুগি এবং তার পরিচর্যাকারীর পক্ষে পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়া সহজ হবে।

ক্যানসার আক্রান্ত মানুষের জন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে আপনার পরামর্শ কী থাকবে?

আমি বলতে চাই তারা যেন জীবনে আশা হারিয়ে না ফেলে। অবসাদ মানসিক স্বাস্থ্যের এমন একটা অঙ্গ যা চিকিৎসা করলে সেরে যায় এবং মানুষের জীবনও সুস্থ-সুন্দর হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে সুস্থ মানসিক স্বাস্থ্যের সাহায্যে ক্যানসারের চিকিৎসারও ভালো সাড়া পাওয়া যায়। এমনই চিকিৎসার অধিকার একজন রুগির  কাছে কাম্য হওয়া জরুরি। তাছাড়া অসুখ সম্পর্কে সচেতনতা, তার যথাযথ চিকিৎসা ও জটিলতা বিষয়ে রুগির সঠিক ধারণা থাকাও প্রয়োজন। চিকিৎসা সম্পর্কিত সবরকম তথ্য জানার পর রুগিকে চিকিৎসার বিষয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। কারও চাপে পড়ে চিকিৎসা করাতে বাধ্য হওয়া অথবা ভয় বা অজ্ঞতার কারণে চিকিৎসা না করানো কখনোই উচিত নয়। প্রতিটি ক্যানসার আক্রান্ত মানুষ ও তার পরিচর্যাকারীদের এ বিষয়ে যথাযথ জ্ঞান থাকা একান্ত জরুরি।   

হোয়াইট সোয়ান ফাউন্ডেশন
bengali.whiteswanfoundation.org