কীভাবে একটা প্রতিষ্ঠান বরখাস্তকালীন কর্মীদের সাহায্য করতে পারে?

কীভাবে একটা প্রতিষ্ঠান বরখাস্তকালীন কর্মীদের সাহায্য করতে পারে?

কখনও কখনও কোনও প্রতিষ্ঠান খুব অল্প সময়ের নোটিস দিয়ে তার কর্মরত শ্রমিক বা কর্মীদের ছাঁটাই করে দেয় এবং দিনের শেষে তাদের আর কাজে রাখবে না বলে জানিয়ে দেয়। ইদানীং কয়েকটি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এমপ্লয়ি অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে কর্মী ছাঁটাই করে থাকে।

এক্ষেত্রে যে সব কর্মীরা অন্য শহর থেকে কাজের জন্য আসে, যাদের রোজগারের উপর অনেকগুলো মানুষের জীবনধারণ নির্ভর করে এবং যাদের ঋণ শোধ করা বা অন্যান্য কোনও আর্থিক দায়দায়িত্ব থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এই ছাঁটাই বা বরখাস্তের বিষয়টি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এসব কর্মীদের চিন্তা বা উদ্বেগ কাটানোর জন্য বিশেষ সাহায্য, এমনকী মনোবিদের সহায়তারও প্রয়োজন রয়েছে।

যে সব প্রতিষ্ঠান ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের জন্য মনস্তাত্ত্বিক সাহায্যের ব্যবস্থা করে সেখানে একজন মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞের উপস্থিতি একান্ত জরুরি। কারণ একজন মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞ ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের মনের ব্যথা-বেদনা ও দিশাহারা ভাব দূর করতে সাহায্য করতে পারেন। এই কাজ করার জন্য তাঁরা বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে পারেন। যেমন-

  • প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বা মানবসম্পদ আধিকারিককে শেখাতে পারেন যে কীভাবে কর্মীকে ছাঁটাইয়ের খবর জানাতে হয়।

  • যেখানে কর্মীদের বরখাস্ত করা হচ্ছে সেই মিটিং-এ প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের হাজির থাকা জরুরি ও প্রয়োজন মতো কর্মীদের সাহায্য করা দরকার।

  • বরখাস্তের পর ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের জন্য মনস্তাত্ত্বিক সাহায্য জরুরি।

  • দলগতভাবে বা ব্যক্তিগতভাবে কর্মীদের সমস্যা চিহ্নিত করা প্রয়োজন।

অনেক সময় যে সব কর্মীরা ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়ে না, তাদের মধ্যেও মানসিক  চাপ, চিন্তা ও চাকরি হারানোর ভয় জন্মায়। এই পরিস্থিতিতে একটা সংস্থার উচিত এমপ্লয়ি অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে কর্মীদের পাশে থাকার বিষয়টি সম্বন্ধে আশ্বস্ত করা। আর সেই সঙ্গে জরুরি কর্মচারীদের মধ্যে দিশাহারা ভাব দূর করতে সাহায্য করা। 

Related Stories

No stories found.